Sunday, December 2, 2012

NON-PAYMENT OF BILLS BY LILLIPUT

evsjv‡`wk †cvkvK ißvwbKviK‡`i UvKv
w`‡”Q bv fviZxq Avg`vwbKviKiv






Avwgbyj Bmjvg : evsjv‡`wk †cvkvK ißvwbKviK‡`i‡K UvKv w`‡”Q fviZxq Avg`vwbKviK | ißvwb Kivi ci cÖvq GK eQi n‡”Q Zvi c‡iI UvKv cv‡”Q bv Gme ißvwbKviKiv| Gwb‡q w`wjø¯’ evsjv‡`wk nvBKgwkb, evsjv‡`k¯’ fviZxq nvBKwgkb, fviZxq wkí I evwYR¨ gš¿Yvjq, wiRvf© e¨vsK Ae BwÛqv‡K ( AviAvBwe) Rvwb‡qI †Kv‡bv jvf nqwb|

Rbv †M‡Q, 2011 mv‡j evsjv‡`‡ki 22wU †Kv¤úvwb Gjwmi gva¨‡g fviZxq wjwjcyU wbUIq¨v‡ii Kv‡Q 50 jvL Wjv‡ii ˆZwi †cvkvK ißvwb K‡i| cÖwZôvbwUi Zvi wVKvbv wn‡m‡e e¨envi K‡i‡Q wW-95 ILjvn BÛvw÷ªqvj Gwiqv, †dR-1, wbD w`wjø, fviZ| fvi‡Zi Gw·g e¨vsK wjwg‡UW, ÷¨vÛvW© P¨vUvW© e¨vsK, B‡qm e¨vsK wjwg‡UW, GBPwWGdwm e¨vsK Ges AvBwmAvBwmAvB e¨vsK Gme †cvkvK Avg`vwbi Rb¨ wjwjcy‡Ui n‡q Gjwm Bmy¨ K‡i|

†m Abyhvwq cÖvq 50 jvL Wjv‡ii ˆZwi †cvkvK ißvwb K‡i evsjv‡`‡ki 22 cÖwZôvb| fviZxq GB †Kv¤úvwb Zv‡`i Kv÷gm †_‡K IB gvjvgvj Qvwo‡q †bIqvi ciI fviZxq e¨vsK¸‡jv UvKv w`‡Z Mwogwm ïi“ K‡i|

Gwb‡q Gme ißvwbKviK MZ GK eQi a‡i bvbv RvqMvq aibv w`‡qI †Kv‡bv KvR n‡”Q bv| Ae‡k‡l MZKvj wewRGgBG mfvcwZ mwdDj Bmjvg gwnDwÏb fviZxq nvBKwgkbv‡ii m‡½ †`Lv K‡i Gme ißvwbKviK‡`i UvKv cwi‡kva Kivi Rb¨ nvBKwgkbv‡ii mnvqZv Pvb| Gmgq Gme UvKv Av`v‡q mnvqZv Kivi Avk¦vm †`b fviZxq nvBKwgkbvi|

Metro Rail :Japaneese Fund

‡g‡Uªv‡i‡j 210 †KvwU Wjvi †`‡e Rvcvb




bRg~j nK miKvi : ivRavbx XvKvi hvbRU wbim‡b †g‡Uªv‡ij ¯’vc‡b Rvcvb Avw_©K mnvqZv †`‡e| g¨vm i¨vwcW UªvbwRU (GgAviwU) cÖK‡í 210 †KvwU Wjvi FY cÖ`v‡b m¤§Z n‡q‡Q Rvcvb|

MZKvj †iveevi mܨvq mwPevj‡q mvsevw`K‡`i A_©gš¿x Aveyj gvj Ave`yj gywnZ e‡jb, GgAviwU cÖK‡íi KvR PjwZ A_©eQ‡i ïi“ K‡i 2017 mv‡ji g‡a¨ †kl Kiv n‡e| PjwZ 2012-13 A_©eQ‡iB 13 †KvwU 30 jvL Wjvi cvIqv hv‡e| gywnZ e‡jb, Rvcv‡bi ivóª`~Z wm‡iv mv‡`vwkgvi m‡½ weKv‡j Avgvi ˆeVK n‡q‡Q| ivóª`~Z Avgv‡K Rvwb‡q‡Qb, Zvi †`‡ki miKvi Avgv‡`i GgAviwU cÖK‡í `yB `kwgK GK wewjqb Wjvi FY †`qvi wm×všÍ wb‡q‡Q| Zvi miKv‡ii IB wm×v‡šÍi K_v Rvbv‡ZB ivóª`~Z Avgvi Kv‡Q G‡mwQ‡jb|

A_©gš¿x Rvbvb, 270 †KvwU Wjv‡ii G cÖK‡í evwK A_© miKvi wbR¯^ Drm †_‡K ms¯’vb Ki‡e| GgAviwU QvovI 3wU cÖK‡í Rvcvb 80 †KvwU Wjv‡ii †ewk FY †`qvi cÖwZkÖ“wZ w`‡q‡Q| Gi g‡a¨ †fovgviv K¤^vBÛ cvIqvi mvB‡Kj cøv›U cÖK‡íi Rb¨ Rvcvb †`‡e 46 †KvwU 70 jvL Wjvi| b¨vkbvj wWwóªweDkb A¨vÛ UªvÝwgkb cÖ‡R‡± †`‡e 23 †KvwU 80 jvL Wjvi| ¯^v¯’¨ Lv‡Zi Dbœq‡b 10 †KvwU Wjvi †`qvi cÖwZkÖ“wZ w`‡q‡Q Rvcvb|

D‡jøL¨, eûj Av‡jvwPZ XvKv †g‡Uªv‡ij GgAviwU cÖK‡íi AšÍf©y³| GwU DËiv †_‡K ïi“ n‡q wgicyi-dvg©‡MBU n‡q gwZwSj ch©šÍ hv‡e|

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর অনুরোধ : মালয়েশিয়া যেতে দালাল বা এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করবেন না

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর অনুরোধ : মালয়েশিয়া যেতে দালাল বা এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করবেন না




মালয়েশিয়ায় বেসরকারিভাবে কোনো শ্রমিক পাঠানোর অনুমতি নেই। সরকারিভাবেই এবার মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানো হবে। তাই ওই দেশে যেসব শ্রমিক কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক তাদের দালাল, মধ্যস্বত্বভোগী কিংবা অন্য কোনো এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। কেউ যদি এজেন্ট কিংবা তৃতীয় কোনো মাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন কিংবা আর্থিক লেনদেন করে প্রতারিত হন, তার দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে। এ জন্য সরকারকে দায়ী করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী আরও বলেন, স্বল্প ব্যয়ে মালয়েশিয়া এবার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে। এসব শ্রমিক সরকারিভাবে পাঠানো হবে। কাজেই মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুকদের কাছে আমার আবেদন কোনো দালাল, মধ্যস্বত্বভোগী কিংবা অসাধু কোনো জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানকে টাকা দেবেন না। তিনি বলেন, দীর্ঘ চার বছর পর বাংলাদেশ থেকে ফের কর্মী নিচ্ছে মালয়েশিয়া। গত ২৬ নভেম্বর এ ব্যাপারে দু’দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খান, বিএমইটির মহাপরিচালক শামসুন্নাহার প্রমুখ।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, মালয়েশিয়া প্রথমে প্লান্টেশন (বৃক্ষায়ন) খাতে ৩০ হাজার কর্মী নেবে। এরপর তারা কৃষি (এগ্রিকালচার), উত্পাদন (ম্যানুফ্যাকচারিং), নির্মাণ এবং সেবা (সার্ভিস) খাতে কর্মী নেবে। কর্মী যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব উপজেলার কর্মীরা সুষমভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এ জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কোটা অনুসরণ করা হবে। ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়া প্লান্টেশনের খাতের জন্য চাহিদাপত্র পাঠাবে। এরপর ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে আমরা নাম নিবন্ধন শুরু করব। ফেব্রুয়ারি থেকেই কর্মী যাওয়া শুরু হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্লান্টেশন খাতের কর্মীদের মালয়েশিয়া যেতে হলে কৃষিকাজে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাদের বয়সসীমা ন্যূনতম ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। গ্রাম এলাকার বাসিন্দা হতে হবে। শরীরের উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ ফুট এবং ওজন কমপক্ষে ৫০ কেজি হতে হবে বলে জানান মন্ত্রী।
নিবন্ধনের সময়সূচি ও করণীয় সম্পর্কে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ওয়েবসাইটে গিয়ে নাম নিবন্ধন করতে হবে। যে কোনো স্থান থেকে কিংবা ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্র থেকে ইন্টারনেটে নাম নিবন্ধন করা যাবে। কোনো উপজেলার নিবন্ধনের কোটা পূরণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেটি বন্ধ হয়ে যাবে। নিবন্ধনের পর ফোনে একটি বার্তা পাঠানো হবে। সেখানে কবে, কোথায় সাক্ষাত্কার করতে হবে তার বিস্তারিত দেয়া থাকবে।
মালয়েশিয়া যেতে একজন কর্মীর সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা খরচ হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কারও যদি এই টাকা জোগাড়ের সামর্থ্য না থাকে, তাহলে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবেন। মালয়েশিয়া যাওয়া এই কর্মীরা ন্যূনতম ৯০০ রিঙ্গিত বা ২৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। সপ্তাহে ছয় দিন আট ঘণ্টা করে কাজ করতে হবে।

Saturday, December 1, 2012

A female Saudi telephone operator works at the International Medical Center in Jeddah

A female Saudi telephone operator works at the International Medical Center in Jeddah

Source: Reuters / Susan Baaghil

A female Saudi telephone operator works at the International Medical Center in Jeddah June 4, 2007. More Saudi women are breaking with strict tradition and rigid religious rules to take their place in the workplace. The government is encouraging them as it hopes working women will stimulate economic growth.

বাংলাদেশিদের জন্য জাপান সরকার চালু করেছে উন্নত চিকিৎসা

বাংলাদেশিদের জন্য জাপান সরকার চালু করেছে উন্নত চিকিৎসা

বাংলাদেশিদের চিকিৎসার জন্য জাপান সরকার চালু করেছে মেডিক্যাল ভিসা। সুলভে উচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। চিকিৎসার জন্য জাপান গমনের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে স্বয়ং জাপান সরকার। ২০১২ সাল থেকে এ ভিসা চালু হয়েছে। জাপানের অর্থ-বাণিজ্য-শিল্প মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি পরিচালতি হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দেশে জাপান সরকারের অনুমোদিত সংস্থার নাম ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স জাপান। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে জরুরি সেবা প্রদানে ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স জাপান এর সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই সংস্থার নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, সিঙ্গাপুরসহ পৃথিবীর আটটি শহরে শাখা, ৬টি শহরে কল সেন্টার ও ১৪৪টি শহরে এজন্ট রয়েছে।

বাংলাদেশে চলতি বছরে ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট জাপান এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এরই মধ্যে এর আওতায় উন্নত চিকি‍ৎসা সেবা গ্রহণ শুরু করেছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর সদস্যগণ। তাদের অনেকেই চিকিৎসার জন্য জাপান গমন শুরু করেছেন এবং আরও অনেকেই অপেক্ষমান আছেন। ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স জাপান বর্তমানে বাংলাদেশের রোগীদের জন্য জাপানে অত্যাধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করছে। তবে তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য বাংলাদেশেই অত্যাধুনিক জাপানি চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসার ঘটানো ও চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলা।

যে সব চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাবে
জাপানের হাসপাতালগুলোতে সহজলভ্য কিছু চিকিৎসাসেবা আছে।  শুধুমাত্র এশিয়ায়  জাপানেই সহজলভ্য এ সেবা পাওয়া যায়। অনেক দূরারোগ্য রোগের চিকি‍ৎসা জাপানে সহজলভ্য। এসব চিকিৎসা সুবিধার কয়েকটি হচ্ছে:

পার্টিকল বিম থেরাপি (ক্যান্সারের অত্যাধুনিক চিকিৎসা):
অনেক সময়ে শরীরের  গভীরের জটিল অবস্থানে ক্যান্সারের কারণে অপারেশন করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে অপরদিকে সংশ্লিষ্ট রোগীও অপারেশন করাতে চান না।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে পার্টিকল বিমই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসাপদ্ধতি। এতে হাসপাতালে ভর্তি হবার প্রয়োজন নেই। স্বল্প সময়ে জটিলতাবিহীন থেরাপি। এটা অনেকটা এক্সরে কিংবা গামা রে’র মতোই। পার্টিক্যাল বিম থেরাপির অন্যতম অঙ্গ হচ্ছে হেভি আয়রন রেডিয়েশন থেরাপি। এশিয়া মহাদেশে কেবল জাপানেই এই থেরাপির ব্যবস্থা রয়েছে। 

রিজেনারেটিভ মেডেসিন: অচল অঙ্গ সচল করার চিকিৎসা।

এন্ডোসকোপিক সার্জারি:  মুখগহ্বরে নলযুক্ত ক্যামেরাসহ সার্জারিযন্ত্র দিয়ে জটিল অপারেশন তথা চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে জাপানের এন্ডোসকোপিক সার্জনরা দুনিয়াসেরা।

কাস্টমাইজড (অর্ডার-মেড) মেডিসিন: অর্ডার দিয়ে চশমা বানানোর মতই কৃত্রিম হাড়, জয়েন্ট তৈরি করা হয়। ধাতব ও প্লাস্টিকের তৈরি নিখুঁত কৃত্রিম অঙ্গের ক্ষেত্রে জাপা‍নের জুড়ি নেই। 

ওরাল মেডিসিন ও ডেন্টিস্ট্রি: দাঁত ও মুখ গহ্বরের চিকি‍ৎসার ক্ষেত্রে জাপানি চিকিৎসা বিশ্বসেরা।

ইমিউনো থেরাপি ও জিন থেরাপি: শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী লিম্ফোসাইটকে শরীর থেকে বের করে, ক্যান্সার টার্গেট করে অ্যাক্টিভেট করা হয়। তারপর তা আবার রোগীর শরীরে ঢুকিয়ে (ইনজেক্ট করে) দেওয়া হয়, ক্যান্সারকে আক্রমণ করার জন্য। এছাড়া জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ত্রুটিমুক্ত জিনকে ভেক্টর বা কোষে ঢুকিয়ে তা রোগীর শরীরে ইনজেক্ট করা হয়। এভাবে ত্রুটিপূর্ণ জিনকে সারিয়ে তোলা হয়।

নিঙ্গেন ডক (হেলথ স্ক্রিনিং ও প্রেসক্রিপশন): পৃথিবীতে একমাত্র জাপানেই এই চিকিৎসার বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। স্বাস্থ্যপীক্ষার এই কায়দায় শরীরের পুঙ্খাণুপুঙ্খ পরীক্ষা করা এবং সমস্যা চিহ্নিতকরণের পর চিকৎসা দেওয়া হয়।

এছাড়াও রয়েছে অত্যাধুনিক অন্যান্য চিকিৎসা সেবার সুযোগ।
এ ব্যাপারে জাপানের তো তো কলেজ অব হেল্থ সাইন্সেস এর অধ্যাপক ও ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স অব জাপান এর পরিচালক ডা. শেখ আলীমুজ্জামান এমডি, পিএইচডি বলেন, বাংলাদেশিদের জন্য জাপানে চিকিৎসাসেবা সুবিধা উন্মুক্ত করেছে জাপান সরকার। সে সূত্রে ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স জাপান এর সহযোগিতায় ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স বাংলাদেশ এই সুবিধা বাংলাদেশিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

এর ফলে বাংলাদেশের অনেকেই জটিল রোগ থেকে মুক্তির জন্য বিশ্বখ্যাত জাপানি চিকিৎসার নাগাল পাবেন। এই চিকি‍ৎসাসেবার অনেকগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে হতো। অনেক চিকিৎসা আছে যা শুধু জাপানেই সম্ভব। এখন থেকে জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসা সেবা পাওয়ার দ্বার উন্মুক্ত হলো।  

চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শ, জাপানের ভিসা, যাতায়াত ও আবাসনসহ আনুসঙ্গিক ব্যবস্থাপনা, বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা, দোভাষীর উপস্থিতিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, দেশে ফেরার জন্য জাপান বিমানবন্দর পর্যন্ত যাতায়াতের ব্যবস্থা, দেশে ফেরার পর টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকি‍ৎসার ফলোআপ করার সুবিধাসহ সবকিছুর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন ইমাজেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স বাংলাদেশ এর সঙ্গে।

ইমাজেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট বাংলাদেশ’র ঠিকানা: ১০৮ মসজিদ রোড (চার তলা), ডিওএইচএস, বনানী, ঢাকা। এছাড়াও বাংলাদেশে ০২-৮৮৭১৯৫৪, ০১৭৫৫৫২৫৫০ ও ০১৭৫৫৫৫৭৪৪৫ নম্বরে এবং জাপানে +৮১-৩-৩৮১১-৮৬০০ নম্বরে যে কোনো সময় কল করে প্রয়েজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে।
ওয়েব ঠিকানা: http://emergencya.com

ডিজিটাল সময়/২৯ জুন ২০১২/০৩০৫ঘ./নিউ

বিশ্ব শিশু দিবসে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হেড অব মিশনদের ঢাকার বস্তি এলাকা পরিদর্শন

বিশ্ব শিশু দিবসে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হেড অব মিশনদের ঢাকার বস্তি এলাকা পরিদর্শন
বিশ্ব শিশু দিবস, ২০১২ উপলক্ষ্যে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী শিশু অধিকারের প্রতি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহায়তা কার্যক্রমকে জোরদার করার লক্ষ্যে ২০ নভেম্বর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হেড অব মিশনগণ ঢাকার কয়েকটি বস্তি এলাকায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হেড অব মিশনগণ শিশুদের সাথে শিশুশ্রম এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা বলেন। তারা শিশুদের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশের শিশুরা তাদের অধিকার কিভাবে আরো সুরক্ষিত দেখতে চায়।
এই শিশুরা বাংলাদেশে শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অর্থায়নে সেভ দ্য চিলড্রেন কর্তৃক বাস্তবায়িত "পার্টনারশীপ টু কমব্যাট চাইল্ড লেবার থ্রু কর্পোরেট সোশাল রেসপনসিবিলিটি ইন বাংলাদেশ" প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত। প্রকল্পের সুবিধাভোগী শিশু এবং যুবারা সকলেই ঢাকা শহরের বস্তি এলাকায় বসবাসরত অতি দরিদ্র পরিবারের সদস্য এবং তারা তাদের পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করার জন্য কঠিন পরিশ্রম করে। উক্ত প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা ও দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে যাতে তারা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ থেকে বিরত থাকতে পারে। 
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে বাংলাদেশে শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের আলোকে শিশুরা যেন তাদের অধিকার সম্পূর্ণরূপে ভোগ করতে পারে সেই লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৬০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করছে। যার মধ্যে প্রায় ২৪০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২৫ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন "তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচি"-এর জন্য। অন্যান্য সহায়তার মধ্যে স্বাস্থ্য বিষয়ক ও অন্যান্য প্রকল্পসমূহ যেমন শিশুদের নিরাপদ অভিবাসন, শিশুশ্রম নিরসন, যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। 
১৯৯০ সালে যে সকল দেশ প্রথম জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর করে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-এর সকল সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এই সনদ অনুস্বাক্ষর করেছেন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর বিভিন্ন ডকুমেন্টে শিশু সুরক্ষার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে বিশেষ জোর দিয়েছে, যেমন 'EU Guidelines on the Rights of the Child' (২০০৭ সালে ইউরোপিয়ান কাউন্সিল কর্তৃক গৃহীত) Ges 'A special place for children in EU external action' (২০০৮ সালে গৃহীত)। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-এর সকল বহি:সম্পর্কিত নীতিমালায় শিশু অধিকার উন্নয়ন অগ্রাধিকার পেয়েছে। 
সুইডিস রাষ্ট্র্রদূত অ্যানেলি লিনডাল কেনি, ইউরোপীয়ন ইউনিয়ন রাষ্ট্র্রদূত উইলিয়াম হান্না, স্প্যানিশ রাষ্ট্র্রদূত লুইস টেজ্যাডা, ফরাসী রাষ্ট্র্রদূত মিকেল ট্রিনকুইয়ার, নেদারল্যান্ড রাষ্ট্র্রদূত জারবেন ডি জং, জার্মান রাষ্ট্র্রদূত অ্যালব্রেট কন্জ এবং ব্রিটিশ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নিক লো এবং সেভ দ্য চিলড্রেন -এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মাইকেল ম্যাকগ্রাথ পরিদর্শনকালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক/ ডিজিটাল সময়/ ২১ নভেম্বর ২০১২/টাখা

‘প্রতিশোধমূলক’ বসতি সম্প্রসারণের পথে ইসরায়েল

‘প্রতিশোধমূলক’ বসতি সম্প্রসারণের পথে ইসরায়েল


Sat, Dec 1st, 2012 11:47 am BdST
 
জেরুজালেম, ডিসেম্বর ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের’ মর্যাদা পাওয়ার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে ইসরায়েল। এ এলাকায় তিন হাজার নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হবে।

শুক্রবার ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

জেরুজালেমের পূর্বদিকের লম্বালম্বি একটি ভূখণ্ডও এই আবাসন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে জেরুজালেম শহরের মূল অংশ থেকে পশ্চিম তীর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

পশ্চিম তীরে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, ‘পবিত্র’ শহর জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’ মর্যাদার ঘোর বিরোধিতাকারী ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র বসতি সম্প্রসারণের এ পরিকল্পনাকে ‘হঠকারী’ বলে বর্ণনা করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরায়েলি ওই কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রক্ষণশীল সরকার তিন হাজার বাড়ি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে।

অনুমতির পাশাপাশি সরকার জেরুজালেমের মালে আদুমিন ও ই১ এলাকায় আবাসিক স্থাপনার জন্য কয়েক হাজার নতুন ক্ষেত্র তৈরির পরিকল্পনার আদেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের চাপে ইসরায়েল ই১ এলাকায় এর সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। এলাকাটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নজরদারীর মধ্যে আছে।

ইসরায়েলি পরিকল্পনার বিস্তারিত সম্পর্কে ওই কর্মকর্তা আর কিছু জানাননি।

তবে ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ফিলিস্তিনকে ‘পর্যবেক্ষক অঞ্চল’ থেকে ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র’ করার জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যানের নিদর্শন হিসেবে বসতি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।

পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা ভূখণ্ডের ওপর ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ মালিকানার দাবী মেনে নিয়েছে জাতিসংঘ।

কিন্তু জাতিসংঘের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, বিশ্ব সংস্থাটির এ সিদ্ধান্ত ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনা ব্যাহত করবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এবি/সিআর/১১৪৩ ঘ.